Top places to visit in Dhaka | Shourov Ahmed

Top Places to visit in Dhaka

একদিনে ঢাকা ও তার আশেপাশের যেই স্থান গুলো ঘুরে আসতে পারেন তার একটা অসম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরছি ।

১/সোনারগাঁওঃ ঢাকা থেকে মাত্র কয়েক ঘন্টার দূ্রত্বে রয়েছে বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাও । ব্রহ্মপুত্রের উভয় তীর ব্যাপী বিস্তৃত এই জনপদে ‘স্বর্ণভূষিত’ জাতি নামে চিহ্নিত এক আদিম জনগোষ্ঠীর বসবাস ছিল। ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ কর্তৃক ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের রাজধানী ছিল সোনারগাঁও, আর তখন থেকেই শুরু হয় সোনারগাঁয়ের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের। ঈসা খান মসনদ-ই-আলা প্রতিষ্ঠিত ভাটি রাজ্যের রাজধানী ছিল সোনারগাঁয়ে। ঊনিশ শতকে সুতিবস্ত্রের, প্রধানত বিলাতি থান কাপড়ের ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে পানাম নগরের অভ্যুদয়ের ফলে সোনারগাঁও বাণিজ্য ক্ষেত্রে কিছুটা প্রাধান্য লাভ করে। পানাম নগরের বর্তমান ভগ্নপ্রায় দালানকোঠা হচ্ছে হিন্দু ব্যবসায়ীদের তৈরি আবাসিক ভবন। ইউরোপীয় অনুপ্রেরণায় নতুন উপনিবেশিক স্থাপত্য রীতিতে এগুলি নির্মিত। চার পাশে সবুজ গাছপালা, নদী-নালা, খাল-বিল পরিবেষ্টিত পুরানো জমিদার বাড়ি আপনাকে সহজেই আকৃষ্ট করবে। সাথে রয়েছে সোনারগাঁও যাদুঘর । বাংলাদেশ লোক এবং কারুশিল্প ফাউন্ডেশনটি সোনারগাঁও যাদুঘর হিসেবে পরিচিত। গুলিস্তান থেকে সেতু পরিবহন, দোয়েল পরিবহন বা স্বদেশ পরিবহনে করে মোগড়াপাড়া বাস স্ট্যান্ড । অথবা সায়দাবাদ অথবা যাত্রাবাড়ী থেকে বাস,সি এন জি অথবা লেগুনা তে করে কাচপুর ব্রিজ পার হয়ে মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড । এখান থেকে রিকশা নিয়ে হাতের ডানে প্রায় ২ কি,মি গেলে ঈসা খাঁ এর বাড়ি । এখান থেকে হেটে অথবা রিক্সায় পানাম নগর ঘুরে আসতে পারবেন । পানাম নগরে দেখা যায় ৪০০ বছরের পুরানো মঠ বাড়ি। পানাম নগরের পাশেই রয়েছে ঐতিহাসিক পানাম পুল। ইতিহাস প্রসিদ্ধ সোনারগাঁও বা সুবর্ণগ্রাম আজ পানাম নগরীর ধ্বংসাবশেষ এবং সর্দার বাড়ীর পুরানো একটি অট্টালিকায় আবদ্ধ হয়ে ঐতিহাসিক স্মৃতি ধারণ করছে। এখানকার সুদৃশ্য বাড়িগুলো এখন ধ্বংসের মুখে।সোনার গাঁও ঘুরতে যাবার সময় আপনি আরো কিছু স্থান ভ্রমণ লিস্টে যোগ করতে পারেন যেমনঃ মেঘনা নদীর সুন্দর সুন্দর চর সমূহ ( নালার চর ,বাঙ্গির চর, নুনের টেক বা মায়া দ্বীপ ) । সোনার গাঁও থেকে বইদ্যার বাঁজার ঘাট থেকে নৌকা নিয়ে এইসব চরে ঘুরে আসা যায় । এছাড়াও ঘুরে আসতে পারেন ঋষিপারা বাশের দোতলা স্কুল । বাংলার তাজমহল এবং পিরামিডঃ ২০০৮ সালে আগ্রার তাজমহলের আদলে নির্মিত তাজমহলের ফটক সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়। তাজমহল সংশ্লিষ্ট জায়গার পরিমাণ প্রায় ১৮ বিঘা। তাজমহলের মূল ভবনে স্বচ্ছ ও দামি পাথরে মোড়ানো। এর অভ্যন্তরে আহসানউল্লাহ্ মনি ও তার স্ত্রী রাজিয়া দ্’ুজনের সমাধির স্থান রক্ষিত আছে। চার কোণে চারটি বড় মিনার, মাঝখানে মূল ভবন, সম্পূর্ণ টাইলস করা। সামনে পানির ফোয়ারা, চারদিকে ফুলের বাগান, দুই পাশে দর্শনার্থীর বসার স্থান। এখানে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রাজমনি ফিল্ম সিটি, রেস্তোরাঁ, উন্নতমানের খাবার-দাবারের পাশাপাশি, যারা গ্রুপে বা পিকনিকে আসতে চান তাদের জন্য ও ব্যবস্থা রয়েছে। এন্ট্রি ফি ৫০ টাকা । ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধন করা হয় পৃথিবীর সপ্তার্শ্চযের অন্যতম মিসরের পিরামিডের আদলে গড়ে তোলা পিরামিড । আটটি পিরামিড ধারাবাহিকভাবে সাজানো রয়েছে। ভেতরে সংরক্ষিত মমিগুলোর তথ্য ও কাঁচামাল সংগ্রহ করা হয়েছে মিসর ও চীনের বিভিন্ন জাদুঘর থেকে। রয়েছে প্রাচীনকালের রাজা রানীদের পরিধেয় পোশাক-আশাক ও মণিমুক্তা, তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন তৈজসপত্র, অলঙ্কারাদি ও যুদ্ধে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণের নমুনা। পাশেই রয়েছে আফ্রিকান ভয়ঙ্কর জীবন্ত প্রাণী আইরল। করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্করও। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে । জনপ্রতি প্রবেশ ফি ১৫০ টাকা।

২/সাদুল্লাপুর এবং বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি ,সাভার ঢাকাঃসাদুল্লাপুরঃ ঢাকার কাছে সাভার বিরুলিয়া ইউনিয়নে তুরাগ নদীর পাড়ে ছবির মত সুন্দর একটি গ্রাম সাদুল্লাপুর।নানা রংগের গোলাপ ফুল দিয়ে ঘেরা গ্রামটিকেই একটি বাগান বলে মনে হয় । গোলাপ বাগান,গ্লাদিয়াস বাগান,জারভারা বাগান, রজনীগন্ধা বাগান, ক্যাকটাস বাগান ছাড়াও রয়েছে নানা সবজি বাগান । বিরুলিয়া ব্রিজের কাছে আছে প্রাচীন বটগাছ । মনোমুগ্ধকর এই গ্রাম দেখতে প্রথমে আপনি সোজা চলে আসুন মিরপুর ১ ।মিরপুর ১নম্বর মাজারের সামন থেকে রিকশায় সোজা দিয়াবাড়ি নৌকা ঘাট । এরপর নৌকা দিয়ে সাদুল্লাপুর ।এছাড়া বাই রোডেও সদুল্লাপুর যেতে পারবেন । সেক্ষেত্রে বিরুলিয়া ব্রিজ হয়ে যাওয়াই ভালো । বিরুলিয়া জমিদারবাড়িঃ তুরাগ নদীর পাড়ে প্রাচীন জনপদ এবং ছোট একটি গ্রাম বিরুলিয়া। জমিদার রজনীকান্তের সুদৃশ্য বাড়ি, সাথে প্রায় ১১টি প্রাচীন স্থাপনার জন্য বিরুলিয়া বিখ্যাত । তাছাড়া এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি মন্দির। গ্রামের ঠিক শেষ মাথায় নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে জমিদার বাড়িটি । একসময় জমিদার আর কলকাতার আদি ঢাকেশ্বরী বস্রালয়ের পূর্বপুরুষগণ এই গ্রামে বসবাস করত।তাদের লোগো তে বিরুলিয়া গ্রাম সংলগ্ন বটগাছের ছবিটি আজো রয়েছে । স্বাধীনতার পর যেকোন কারনেই হোক তাদের অনেকেই আর ফিরে আসেন নি । আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক কারুকাজ আজ ধ্বংসের পথে ।এখন একেক বাড়িতে একেক জন বসবাস করছেন। কারো উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া কেউবা দখল করে আছেন ।মিরপুর-১ থেকে আলিফ বা মোহনা বাসে উঠে যেতে পারেন বিরুলিয়া ব্রিজ অথবা বেড়িবাঁধ থেকে বিরুলিয়া ব্রিজ পর্যন্ত বাস/রিক্সা/সিএনঞ্জি তে গিয়ে কিছুদূর হেটে গেলেই বিরুলিয়া জমিদারবাড়ি । অনুমতি নিয়ে ভেতরটাও ঘুরে দেখতে পারেন । জমিদার বাড়ীর ভেতরে প্রবেশ করতে হলে অনুমতি নিতে হবে । নিরাশ করেন না তবে উনারা যেহেতু পরিবার সহ বসবাস করছেন সেহেতু বেশিক্ষণ ওইখানে থাকলে একটু বিরক্ত হতেই পারে । আর খাবার অবশ্যই সাথে নিয়ে যাবেন । সেখানে আমি ভাল খাবার হোটেল দেখিনি ।

৪/জিন্দা পার্ক রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরের জিন্দা গ্রামে ১৫০ একর এলাকার উপর গড়ে তোলা হয়েছে জিন্দা নামের এই পার্কটি। একদিনের ঘুরাঘুরির জন্য হতে পারে একটা আদর্শ প্লেস । জিন্দা পার্কে ২৫০ প্রজাতির ১০ হাজারের বেশি গাছ , ৫টি জলাধার এবং অসংখ্য পাখি আছে । নৌ বিহারের জন্য রয়েছে ৮টি সুসজ্জিত নৌকা । এন্ট্রি ফি ১০০ টাকা, বাচ্চাদের জন্য ৫০ টাকা । পার্কের ভিতরে ২২০- ২৭০ টাকার খাবার প্যাকেজ টা খারাপ না । পার্কটি সপ্তাহের প্রতিদিনই খোলা থাকে । কুড়িল বিশ্বরোড/খিলখেত থেকে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত সি,এন,জি যায় । জনপ্রতি ভাড়া ৬০টাকা । এর পর কাঞ্চন ব্রিজ থেকে জিন্দা পার্ক পর্যন্ত লেগুনা যায় , ভাড়া ১০ টাকা । এছাড়া কাচপুর ব্রিজ পাড় হয়ে ভুলতা থেকে মহানগর বাইপাস হয়েও জিন্দা পার্ক যাওয়া যায় । Phone 01716-260908

৫/এগারসিন্ধুঃ এগারসিন্ধুর দুর্গ ছিল মধ্যযুগের বাংলার একটি দুর্গ। দুর্গটি তৎকালীন সময়ে বানার, শীতলক্ষা, আড়িয়াল খাঁ, গিয়র সুন্দা ইত্যাদির সংযোগস্থলে অবস্থিত ছিল। এ থেকে এগারসিন্ধুর নামটি উদ্ভব হয়। বর্তমান বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে এগারসিন্দুর অবস্থিত। বেবুধ নামক এক কোচ উপজাতি প্রধান ষোড়শ শতাব্দীতে এই দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। ঈশা খাঁ বেবুধ রাজার কাছ থেকে দুর্গটি দখল করে নেন এবং একে শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করেন। বারো ভুঁইয়াদের নেতা ঈসা খান মুঘলদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই দুর্গ ব্যবহার করেছিলেন। ১৮৯৭ এর ভুমিকম্পে দুর্গটি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। তবে দুর্গের ভেতরে উঁচু একটি ঢিবি পাওয়া যায়, যেখান থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কামান দাগানো হতো। এগারসিন্দুরে রয়েছে – এগারসিন্দুর দুর্গ, বেবুথ রাজার দিঘি, ১৬৪২ সালে নির্মিত পোড়ামাটির অলংকরনে সজ্জিত সাদী মসজিদ, ১৬০০ সালে নির্মিত শাহ মাহমুদ মসজিদ। ঢাকার মহাখালী বাস টারমিনাল থেকে কিশোরগঞ্জগামী অনন্যা অথবা অন্য বাসে উঠে এগারো সিন্ধু নেমে ঘুরে আসতে পারেন ঈশা খাঁ এর এগারো সিঁন্ধু ।এইপ্লেস গুলাতে ট্যুরিস্ট কম যাওয়ার কারনেই হোক অথবা গ্রামবাসীর সচেতনতার কারনেই হোক কোন ময়লা / চিপসের প্যাকেট / পানির খালি বোতল দেখিনাই । ভাল লাগছে বিয়টা ।ফেরার পথে গাজীপুরের টোক-বাজারে নেমে তোতামিয়ার হোটেলে খেয়ে আসতে পারেন ।

৬/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কঃ সুন্দর এবং মজা এ ২টার সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম । যারা ডিসকভারি চ্যানেল গুলাতে দেখা মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, চিলি , কানাডা ,কেনিয়া এবং আফ্রিকান সাফারি পার্কের সাথে তুলনা করতে চান তাদের নিরাশ হতে হবে প্রথমেই বলে নিচ্ছি । তবে হ্যা একেক জিনিসের একেক রকম টেস্ট।তাই সব মিলিয়ে একদিনের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কভ্রমন অবশ্যই একটা ভাল আইডিয়া/প্লান হতে পারে ।প্রথমে শুরু করতে পারেন “কোর সাফারি” দিয়ে , যেখানে বাস/পিকাপ ভ্যানে করে ১৫/২০ মিনিট সময়ে আপনাকে বাঘ , সিংহ ,ভালুক এবং জিরাফ দেখিয়ে নিয়ে আসবার ব্যাবস্থা রয়েছে ।এই পার্কে বাঘ ,সিংহ , ভালুক ,জেব্রা এবং জিরাফ ইত্যাদি বাসের জানালা দিয়ে ডান-বাম করে তারাহুরা করে দেখতে দেখতে জার্নি শেষ হয়ে যাবে । এর পর ওয়ার্ল্ড-লাইফ ন্যাচার > শুরু হবে ম্যাকাউ ল্যান্ড দিয়ে । দামি দামি সব ম্যাকাউ ,কাকাতুয়া , টিয়া’র ডাকাডাকি তে মুখরিত বিশাল একখাঁচা । এই খাঁচায় আপনি প্রবেশ করে পাখি গুলোকে একদম কাছ থেকে দেখতে ও ছবি নিতে পারেন । রয়েছে একুরিয়াম এবং প্রজাপতি । হাতির পিঠে চাপা , বোটিং সবই মজার । বোটিং প্লেসে রয়েছে বিশাল বিশাল সব রাজ হাঁস । আপনার একদম পাশ দিয়ে সাতরে চলে যাবে আপন মনে । ময়ূর সংগ্রহশালা আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ময়ূরশালা । এখানে ১৫ মিনিটে আমি তিনটি ময়ূরের নাচ দেখতে পেয়েছি

🙂 এছাড়াও আছে ময়ূরের ন্যায় দেখতে হরেক রকম পাখি ।আর পার্কটি দেখে আমার জুরাসিক পার্ক মুভিটার কথা মনে হয়েছে । নিচে হরেক রকম ময়ূর আর উপর দিয়ে একটা রাস্তার মত তৈরি করা হয়েছে যাতে দর্শনার্থীরা উপর থেকে এই সুন্দরজ উপভোগ করতে পারেন । যদি একই ভাবে বাঘ ,সিংহ রাখত আর উপর দিয়ে আমারা হেটে চলে যেতে পারতাম তাহলে বিষয়টা আরও এডভেঞ্চার হত । এর পর কিছুটা চিরিয়াখানার মত করে বানর ,উঠপাখি, এলিগেটর শ্রেণীর প্রানি রাখা । এইসব দেখতে দেখতে আপনি কখন যে বড় এক রাউন্ড দিয়ে ফেলেছেন তা বুঝতেও পারবেন না । শেষে করতে পারেন রঙ্গিন সব কার্প মাছকে খাদ্য খাইয়ে । আপনার একদম হাতের কাছথেকে ঝাকে ঝাকে মাছ খাবার খাবে । এইসব একনজর চোখে দেখতে , উপভোগ করতে দলবলে চলে যান সাফারি পার্ক ভ্রমণে .সাপ্তাহিক বন্ধ মঙ্গলবার ।

৭/মাওয়া ঘাটঃ মাওয়া ঘাটে ইলিশ দিয়ে দুপুরের খাবার এরপর ১০টাকা বাস ভাড়া দিয়ে লৌহজং থানার ঘোড়াদৌর বাজার নৌঘাট থেকে সোজা পদমা রিসোর্ট । ১ দিনের জন্য ভাল একটা ট্যুর প্লান । উল্লেখ্য পদ্মা রিসোর্টে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ২৩০০/- টাকা চার্জ এবং বিকাল ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৫০০/- টাকা চার্জ দিতে হয় আর ২৪ ঘন্টার জন্য হলে ৩৫০০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য ।আর যদি ২/৩ ঘণ্টা শুধু ঘুরাসঘুরি করতে চান তাহলে ৫০টাকা দিয়ে এন্ট্রি হলেই হবে অন্য ফি দিতে হবে না । সাথে নৌপারাপার ফ্রি । ভিতরে ক্যাফে আছে । চা ,কফি বিস্কিট সব আছে । ডিনার বা লাঞ্চের জন্য ৪০০ টাকার মধ্যে প্যাকজে আছে- ইলিশ সহ ৭টা আইটেম থাকে ।

৮/মানিকগঞ্জঃ ঢাকা থেকে সকাল ৮টায় বের হয়ে গেলে সারাদিন মানিকগঞ্জ ঘুরে রাত ৯টায় ঠিক ফেরা যায় । যে স্থানগুলি দেখবেনঃ বালিয়াটি জমিদার বাড়িঃ বালিয়াটি প্রাসাদ বাংলাদেশের ১৯ শতকে নির্মিত অন্যতম প্রাসাদ। একে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা বালিয়াটি প্রাসাদ বলেও ডাকা হয়। গোবিন্দ রাম সাহা বালিয়াটি জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন। ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি লবণের বণিক ছিলেন। মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে আছে। প্রাসাদটির দক্ষিণ দিকে প্রবেশদ্বার হিসেবে চারটি সিংহদুয়ার রয়েছে এবং উত্তরে বিশাল আকৃতির পুকুর রয়েছে। দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ সম্মুখভাগের ইমারতগুলোতে কোরিনথিয় সত্মম্ভের সারি রয়েছে। এছাড়াও স্থাপনাগুলোতে দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য লক্ষ করা যায়। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্লকটি যাদুঘর। এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত। প্রতি রবিবার পূর্ণ দিবস এবং সোমবার অর্ধ দিবস বন্ধ ছাড়াও প্রাসাদটি যে কোনও সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে । ঢাকার গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে আরিচা বা মানিকগঞ্জগামি যে সব বাস সাটুরিয়া হয়ে যায় তাঁর যে কোন একটায় উঠতে হবে। সাটুরিয়া জিরো পয়েন্ট নেমে ইজি বাইক বা সি এন জি দিয়ে চলে যান জমিদার বাড়ি। পাটুরিয়া জমিদার বাড়িনাহার গার্ডেনঃ তেওতা জমিদার বাড়িঃ মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় তেওতা জমিদার বাড়ি অবস্থিত । লোকমুখে প্রচলিত, এই জমিদার বাড়ি প্রায় ৪০০ বছরের পুরানো। সপ্তদশ শতকের শুরুতে পঞ্চানন সেন এই জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন । তেওতা জমিদার বাড়ি যেতে হলে আপনাকে ঢাকা থেকে আরিচাগামি বাসে উঠে শিবালয় নেমে যেতে হবে । শিবালয় থেকে রিক্সা যোগে যেতে পারবেন ।আর মানিকগঞ্জ থেকে তেওতা জমিদারবাড়ি যেতে চাইলে প্রথমে শিবালয় আসতে হবে বাসে করে । মানিক গঞ্জ থেকে শিবালয় বাস আছে । ৯/শ্রীমঙ্গলঃ ১০/ ব্রাহ্মণ বাড়িয়াঃ ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাস ও ট্রেন এ যাওয়া যায়। খুব সকালে রওনা দিলে আপনি কমলাপুর থেকে ট্রেন পাবেন- পারাবত সম্ভবত সকাল ৬:৩০ এ, প্রভাতী সকাল ৭:৪০ এ ছাড়ে, ভাড়া শোভন চেয়ার এ ১৩৫ টাকা হতে পারে। এছাড়া কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে সোহাগ, তিশা, রয়েল সহ আরো কিছু বাস পাবেন, ভাড়া ১৫০ টাকা থেকে ২০০টাকা। ট্রেন কিংবা বাস যেভাবেই যেতে চান সকাল ৭টার ভিতর রওনা দিতে পারলে ২ থেকে ২:৩০ ঘন্টার মধ্যে আপনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছে যাবেন।একদিনের রোড প্ল্যান- সকাল বেলায় বাস বা ট্রেন থেকে নেমে সকালের নাস্তা সেরে সোজা চলে যেতে পারেন মেড্ডা । সেখান থেকে সিএনজি করে সরাইল চলে যা্বেন। সরাইলে আরিফাইল মসজিদ দেখে আবার সিএনজি করে চলে যাবেন নাসিরনগর। যাওয়ার পথে ধরন্তি(এখান থেকে হাওরের বুক চিড়ে রাস্তাটি নাসির নগর চলে গেছে।) পার হয়ে যাবেন। নাসিরনগর নেমে রিক্সা নিয়ে ডাক বাংলো যাবেন। সেখান থেকে নাসিরনগর-এর অপূর্ব সৌন্দর্যের প্রতীক মেদিনী হাওড় দেখতে ভাল লাগবে। সেখান ফিরে আবার সিএনজি করে চলে যাবেন হরিপুর এ জমিদার বাড়ীতে। সেখান থেকে মাধরপুর এ গিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিতে পারেন। মাধরপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসে করে আসার সময় বাড়িউড়া বাজারে নেমে চলে যাবেন হাতিরপুল দেখতে। সেখান থেকে আবার বাসে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চলে আসবেন।তারপর শহরটা ঘোরে দেখতে পারেন। একটা রিক্সা ভাড়া নিবেন ঘন্টা হিসেবে, ঘন্টা ৮০-১০০টাকা নিবে রিক্সাওয়ালাকে বলবেন মেড্ডা কালভৈরব, নিয়াজ পার্ক এ স্মুতি সৌধ আর কাউতলি সৌধ হীরন্ময় দেখাতে। ফেরার পথে মহাদেব পট্টি থেকে ঐতিহ্যবাহী, ছানামুখি খেয়ে আসতে ভুলবেন না।রোড- https://www.google.com.bd/maps/dir/23.9670579,91.1088271/24.054381,91.1479869/23.9847193,91.1123413/”/”/23.9844973,91.1127225/@24.0830957,91.1955327,11.75z/data=!4m14!4m13!1m0!1m0!1m0!1m3!2m2!1d91.1954713!2d24.1921421!1m3!2m2!1d91.2903142!2d24.0961191!1m0!3e2?hl=enদর্শনীয় স্থান-http://www.brahmanbaria.gov.bd/node/711260/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AD%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%AChttp://www.brahmanbaria.gov.bd/node/711265/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%ADhttp://www.brahmanbaria.gov.bd/node/711272/%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A7-%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%9Fhttp://www.brahmanbaria.gov.bd/node/711277/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2http://www.brahmanbaria.gov.bd/node/1005208/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6http://www.brahmanbaria.gov.bd/node/1344829/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9C-%E0%A6%85%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%B2Source: https://www.facebook.com/notes/travel-info/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A1-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8/1020397791345286
১১/রূপ গঞ্জ ও বালু নদীঃ ঢাকা নতুন বাজার ১০০ ফিট রাস্তা হয়ে বেড়াইত এর পর নৌকা ভারা নিয়ে সারা দিন ঘুরতে পারেন বালু নদী এবং সেই সাথে রূপগঞ্জ জমিদার বাড়ি।বালু নদী দিয়ে আরেকটা ট্রিপ করা যায় । এখান থেকে ইছাপুরা প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় নৌকা ছেরে যায় । আপনি চাইলে এইপথে ইছাপুরা হয়ে বসুন্ধরা ৩০০ ফিট দিয়ে কুরিল ফিরতে পারেন । বালু নদীর দুই ধারে সবুজ ধানখেত এবং জেলেদের মাছ ধরা নজর কাড়বে ।১২/ চাঁদপুর চাঁদপুর জেলার ঐতিহ্যের প্রতীক ইলিশ চত্বর,প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ এলাকা মত্‍স্য জাদুঘর,চাঁদপুর ,সরকারী বোটানি কাল গার্ডেন,হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ(৬ষ্ঠ বৃহত্তম) মেঘনা-পদ্মার চর ইত্যাদি । খাবারঃ ইলিশ এবং ওয়ান মিনিট আইসক্রিম
১৩/শেরপুরঃ মধুটিলা ইকোপার্কে: যাতায়াতঃ ঢাকা > শেরপুর > নলিতাবাড়ি>নন্নী বাজার>মধুটিলা ইকো পার্ক।ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি নালিতাবাড়ী পর্যন্ত গেটলক সার্ভিস রয়েছে।অথবা শেরপুর ড্রিমল্যান্ড বাসে এসে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার পর্যন্ত লোকাল বাস সার্ভিস রয়েছে। নন্নী বাজার থেকে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাওয়া যায় মধুটিলা ইকোপার্ক ।মধুটিলা ইকোপার্কে একটা রেস্টহাউজ আছে নামঃ মহুয়া , কর্ণঝোড়া/ রাজার পাহাড়ঃ বাবেলাকোনা: রাজার পাহাড় ঘেঁষা জনপদ বাবেলাকোনা। এখানে অসংখ্য উঁচু-নিচু টিলায় ঘেরা এক অন্যবদ্য গ্রাম। প্রাচীনকাল থেকে এখানে গড়ে ওঠেছে জনবসতি। ঝোপ-জঙ্গলে আবৃত্ত গ্রামটি কালের আবর্তে পরিবর্তিত। প্রাকৃতিক শোভামন্ডিত সবার কাছে পরিচিত রাজার পাহাড় থেকে বাবেলাকোনা।বাবেলাকোনায় গারো, হাজং, কোচ অধ্যুষিত উপজাতিদের সংস্কৃতি ভিন্ন মাত্রায় বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনধারা। যেন প্রাকৃতিক বিরুপতা। এ যেন জঙ্গল আর জন্তু-জানোয়ারের নৈসর্গিক মিতালি। জনপদটির চলমান জীবন সংগ্রামের বিরল দৃশ্য। উপজাতিদের সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও চর্চার কেন্দ্রগুলোও যেন আলাদা আকর্ষণ। এসব হচ্ছে বাবেলাকেনা কালচারাল একাডেমি, ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন অফিস (টিডব্লিও), জাদুঘর, লাইব্রেরি, গবেষণা বিভাগ, মিলনায়তন এর অন্যতম নিদর্শন। এখান থেকে উপজাতিদের সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যায়। মিশনারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হচ্ছে এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্ষাকালে ঢেউফা নদীর জোয়ারে কানায় কানায় ভরে উঠে। কিন্তু দিনের শেষে ভাটা পড়ে। শুকিয়ে যায় এ নদীর পানি। তবে খরস্রোতা এ নদীর পানির গতি কখনোই কমেনা। সারা বছরই হেঁটে পার হওয়া যায়। ক’বছর ধরে এ নদীর দু’পাশে দুটি ব্রীজ নির্মিত হওয়ায় এখন আর নদীতে নামতে হয়না। এর বুক জুড়ে বিশাল বালুচর যা নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য শহরে নিয়ে যাচ্ছে। এ যেন রাজার পাহাড় থেকে বাবেলাকোনা কুল ঘেষাঁ বিকল্প সমুদ্র সৈকত।বাবেলাকোনার উপজাতিদের কারুকার্য মন্ডিত ধর্মীয় গীর্জা, মন্দিরসহ অসংখ্য প্রাকৃতিক নিদর্শনের সমাহার। উপজাতিদের চালচলন, কথাবার্তা ও জীবনপ্রণালী দর্শনার্থীদের অাকৃষ্ট করে। তাদের সংস্কৃতিতে রয়েছে ভিন্নতা। ওদের জীবন যেন প্রবাহিত হয় ভিন্ন ধারায়। এখানে রয়েছে ওয়ার্ল্ড ভিশন, বিট অফিস, বিজিবি ক্যাম্প এবং রাবার বাগান। গজনী অবকাশশেরপুর থেকে আনুমানিক দূরত্ব = ৩০ কি:মি: বাসভাড়া= ৫০ টাকা। সিএনজি ভাড়া = ২৫০ টাকা। এখানে আসার জন্য সড়ক পথে যাতায়ত খুব সহজ। গজনী অবকাশ পর্যন্ত রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মসৃণ পিচঢালা পথ। শেরপুর থেকে লোকাল বাস,টেম্পু, সিএনজি অথবা রিক্সায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়া যায়।পাহাড়ের ঢালে, গায়ে অথবা পাহাড় চূড়ায় সারি সারি শাল, সেগুন, মহুয়া, গজারী, আকাশমনি, ইউকেলিপটাস, মিলজিয়ামসহ আরো নাম না জানা কত শত পাহাড়ি গাছ, বনফুল ও ছায়াঢাকা বিন্যাস যেন বিশাল ক্যানভাসে সুনিপুণ শিল্পীর রঙ-তুলির আঁচড়। শিল্পীর এ আঁচড় খুব সহজেই প্রকৃতিপ্রেমীদের হৃদয়ে দোলা দিয়ে যেতে পারে বলেই প্রতি বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার প্রকৃতিপ্রেমী নারী-পুরুষ, শিশু, বয়োবৃদ্ধসহ সবাই ছুটে আসেন শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী গারো পাহাড়ের মন ছুঁয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে।প্রবেশ ফি:গজনী অবকাশ কেন্দ্রে গাড়ী প্রবেশের জন্য উপজেলা পরিষদ চেকপোষ্ট থেকে বাস-কোচ, ট্রাক-৩ শ টাকা। মাইক্রোবাস,পিকআপ, মেক্সি-১শ ৫০টাকা। জিপ,কার,টেম্পু-১শ টাকা এবং সিএনজি-৫০টাকা দিয়ে গেটপাস নিতে হবে। অন্যথায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে গাড়ী ঢুকাতে পারবেন না। তাছাড়া সীমান্ত পথে বিজিবি নকশী ক্যাম্পে সে পাস দেখাতে হবে। আর অবকাশ কেন্দ্রে টাওয়ারের জন্য জনপ্রতি ৫ টাকা, শিশু পার্কের জন্য ১০টাক, প্যাডেল বোড ২০মিনিটে ৬০টাকা, পানসিতরী নৌকায় জনপ্রতি-১০টাকা এবং পাতালপুরি ড্রাগন ট্যানেলে জন প্রতি ৫টাকা প্রদর্শনী ফি রয়েছে।লাউচাপড়াঃ জামালপুরের ‘লাউচাপড়া’ অবসর বিনোদন কেন্দ্রের এই নৈসর্গিক ও ছায়াশীতল পরিবেশ দর্শনে বছরজুড়ে ভিড় করছেন দেশ-বিদেশের শত শত পর্যটক। জামালপুর জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা বকশিগঞ্জ। আর শেরপুর জেলা সদর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা শ্রীবর্দী। অবসর বিনোদন কেন্দ্র লাউচাপড়ার অবস্থান বকশিগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি জনপদে হলেও শ্রীবর্দী উপজেলার কর্ণজোড়া বাজার থেকেও বেশি দূরে নয়। বকশিগঞ্জ থেকে ১৫ আর শ্রীবর্দী থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরের পর্যটন কেন্দ্র লাউচাপড়া। বকশিগঞ্জ ও শ্রীবর্দীর দু’টি পথ এক হয়ে মিলেছে চোখ জুড়ানো অপার সৌন্দর্যের আধার বলে খ্যাত লাউচাপড়ায়। এক সময় ঘন বন জঙ্গলের এসব পাহাড়-টিলায় শত প্রজাতির বন্যপ্রাণী থাকলেও এখন তা কমে গেছে। শূকর, বানর, বনমোরগ আর হাতির পাল ছাড়া এই বনে তেমন কোন প্রাণীর দেখা মেলে না এখন। তারপরও প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকদের ভিড়ে বছরজুড়ে উৎসবমুখর থাকছে ছায়াশীতল নৈসর্গিক লাউচাপড়া। ঢাকাথেকে যাতায়াতঃ রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াতই সবচেয়ে উত্তম। উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়ক পথে শেরপুর । ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রোবাস অথবা প্রাইভেট কারে আপনি এখানে আসতে পারেন।সময় লাগবে ৪ ঘণ্টা প্রায় ।ঢাকার মহাখালি থেকে ড্রিমল্যান্ড বাসে সরাসরি শেরপুর ২০০/- অথবা রিফাত পরিবহণে সরাসরি শ্রীবরদি বাজার, ভারা ৪৫০/- অথবা ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি নালিতাবাড়ী পর্যন্ত গেটলক সার্ভিস রয়েছে। জনপ্রতি ভাড়া ২৫০/- টাকা। মহাখালী থেকে দুপুর ২টায় ছাড়ে এসিবাস। ভাড়া ৪৫০টাকা।এছাড়া ঢাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়াম ৪ নং গেইট থেকে সরাসরি বিকাল ৩-৪টায় শিল্প ও বণিক সমিতির গাড়ী ঝিনাইগাতীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ভাড়া ৩৫০টাকা । মজার খাবারঃ শেরপুরের সুখ্যাত মিষ্টি, স্পঞ্চ মিষ্টি, দানাগোল্লা, জিলাপী, রস মালাই জন্য ভবতার মিষ্টান্ন, চারু সুইটস, নন্দগোপালের সুইটস এগুলোর শহরের কালীর বাজারে অবস্থিত। এছাড়াও রুপকথা সিনামা হলের পাশে পার্থ দার লোভনীয় ছানা, প্যারা, মন্ডা এবং গরুর দুধের চা, তেরাবাজার মোড় এবং কোর্টের পেয়াজু ভাজা, নিউমার্কেটে বেল চা, লাল চা এর স্বাদ ভুলা যাবে না। আর খাবার হোটেল খানা নিউমার্কেটে “খানা খাজানা” এবং “আলীশান” (ঢাকার মানে) ওশাহজাহান হোটেল বেষ্ট। ওদের পরিবেশ ভাল এবং কাঁচা কলা সহ ভর্তার আইটেম গুলো খুব ভাল ।
১৩/ নুহাশ পল্লী:১৯৯৭ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রাজধানীর অদূরে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে এক দুর্গম এলাকায় নুহাশ পল্লী গড়ে তুলেছেন। এটি পারিবারিক বিনোদন কেন্দ্র ও শুটিংস্পট হিসেবে বেশ পরিচিত। ৪০ বিঘার এই জায়গাটিতে দেখা মিলবে প্রায় ২৫০ প্রজাতির দূর্লভ ঔষধি, মসলা জাতীয়, ফলজ ও বনজ গাছ। উদ্যানের পূর্ব দিকে খেজুর বাগান, এর পাশেই রয়েছে “বৃষ্টিবিলাস” নামে একটি বাড়ি।নুহাশ পল্লীর অন্যতম আকর্ষন হচ্ছে “লীলাবতী দীঘি”। সানবাধানো ঘাট সহ দীঘির চারপাশে রয়েছে নানা রকমের গাছ। দীঘির মাঝখানে ছোটো করে একটি দ্বীপ রয়েছে।এছাড়া এখানে আরোও রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের আবক্ষ মূর্তি ও সমাধিস্থল, পদ্মপুকুর, প্রাগৈতিহাসিক প্রানীদের অনুকীর্তি, অর্গানিক ফর্মে ডিজাইন করা সুইমিং পুল, দাবার গুটির প্রতিকৃতি, সরোবরে পাথরের মৎসকন্যা ইত্যাদি।”ভুত বিলাস”, বৃষ্টিবিলাস সহ এখানে সর্বমোট ৩টি বাংলো রয়েছে।যেভাবে যাবেন:গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে হোতাপাড়া বাজার। সেখান থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে পিরুজ-আলী(পিরুজালী) গ্রামে অবস্থিত নুহাশপল্লী। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ গামী বাসগুলো, এছাড়াও গুলিস্তান ও মহাখালী থেকে কিছু বাস ছাড়ে, যেগুলো হোতাপাড়া বাজারের উপর দিয়ে যায়। এসব বাসে করে এসে হোতাপাড়া বাজারে নেমে সেখান থেকে সিএনজি বা টেম্পুতে করে নুহাশ পল্লী যাওয়া যায়। এছাড়াও গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে লেগুনা বা সিএনজিতে করে হোতাপাড়া বাজারে নেমে সেখান থেকে আবার সিএনজি বা টেম্পুতে করে নুহাশ পল্লী যাওয়া যায়। ব্যাক্তিগত গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়। নুহাশ পল্লীতে ফ্রী গাড়ি পার্কিং এর সুবিধা রয়েছে।খরচ:নুহাশ পল্লীতে ঢুকতে ১২ বছরের উপরের সকলেরই জনপ্রতি টিকেট লাগবে ২০০ টাকা করে। খাবার:এখানে বাহিরের খাবার নিয়ে প্রবেশ করা যায়। এছাড়া ভিতরে আগে বললে টাকার বিনিময়ে স্টাফরা খাবারের ব্যাবস্থাও করে দিবে।

এবার আসি ঢাকা নিয়েঃ—————————————————————————- লালবাগ কেল্লাঃ সপ্তদশ শতাব্দীর শেষার্ধে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র মোহাম্মদ আজমের সময়ে নির্মিত এ কেল্লায় রয়েছে পরীবিবির সমাধি, দরবার গৃহ, হাম্মামখানা, মসজিদ, দুর্গ ইত্যাদি।বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে লালবাগ মহল্লায় এর অবস্থান। আহসান মঞ্জিলঃ বুড়িগঙ্গা নদীর পাড় ঘেঁষে কুমারটুলি এলাকায় এই আহসান মঞ্জিলের অবস্থান। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে শেখ ইনায়েত উল্লাহ আহসান মঞ্জিলের বর্তমান স্থানে রংমহল নামের একটি প্রমোদ ভবন নির্মাণ করেন। পরে বিভিন্ন হাতঘুরে তা নবাব আব্দুল গনির হাতে আসে। নবাব আব্দুল গনি ভবনটিকে পূণনির্মাণ করেন, ১৮৫৯ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে শেষ হয়। নিজের ছেলে খাজা আহসান উল্লাহ-এর নামে “আহসান মঞ্জিল” নামটি তখনই রাখেন তিনি। পরে এ বাড়িতে নবাব আহসান উল্লাহ বাস করতেন।মঞ্জিলটি দুটি অংশে বিভক্ত “রংমহল” এবং “অন্দরমহল”। প্রাসাদেটির উপরে অনেক সুদৃশ্য গম্বুজ রয়েছে। বর্তমানে এটি একটি জাদুঘর; প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী এ জাদুঘর দেখতে এসে থাকেন। শনি থেকে বুধ, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সর্ব সাধারণের জন্য এটি খোলা থাকে। বৃহস্পতিবার ও অন্যান্য সরকারি চুটির দিনে আহসান মঞ্জিল বন্ধ থাকে।
বড়কাটরাঃ চকবাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গার দিকে মুখ করে নির্মিত এই ইমারত। ১৬৪৪ সালে দেওয়ান আবুল কাশেম কাটরাটি শাহ সুজার বাসস্থান হিসেবে নির্মাণ করেন। তবে শাহ সুজা কখনোই এই কাটরাটিতে বাস করেন নাই। এটি মূলত মুসাফির, পঠিক ও আশ্যয়হীনদের সরাইখানা বা লঙ্গরখানা হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।বর্তমানে কাটরাটির একটি অংশ দখল করে রেখেছে একটি মাদ্রাসা আর অন্য আরেকটি অংশ দখল নিয়েছে বিভীন্ন স্তরের কিছু মানুষ।ছোটকাটরাঃ বড়কাটরা থেকে ১৮২.২৭মিটার পুবে এই ছোটকাটরার অবস্থান। ধারনা করা হয় ১৬৬২ অথবা ১৬৭১ সালে শায়েস্তা খাঁ এটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এটি সম্পূর্ণ বেদখল হয়ে গেছে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের হাতে। রোজ গার্ডেনঃ রোজ গার্ডেন আজও দাঁড়িয়ে আছে পুরনো ঢাকার গোপীবাগ এলাকায়। তৎকালীন নব্য জমিদার ঋষিকেশ দাস বিশ শতকের তৃতীয় দশকে (সম্ভবত ১৯৩০ সালে) গড়ে তোলেন এ গার্ডেন। বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরীর বাগান-বাড়ির আদলে নির্মিত হয়েছিল রোজ গার্ডেন। তৎকালিন উচ্চবিত্ত হিন্দু সমাজের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল বলধা জমিদারের বাড়ি। একদিন বিনা আমন্ত্রণে ঋষিকেশ গিয়েছিলেন বলধার এক জলসায়। কিন্তু ঋষিকেশ দাস সনাতনী ধর্মে নিম্নবর্ণ হওয়ায় তাকে সেখানে অপমাণিত হতে হয়। তারপরই নির্মাণ করেন রোজ গার্ডেন।রোজ গার্ডেনটি ছিল ২২ বিঘা জমির ওপর। তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দুলর্ভ সব গোলাপ গাছে সুশোভিত করেছিলেন এ উদ্যানটি। বাগানের প্রধান গেট দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখে পরে একটি শান বাঁধানো পুকুর। গেট, পুকুর ও বাগানে ইউরোপীয় স্থাপত্য শৈলিতে নির্মিত অনেকগুলো ভাস্কর্য ছিল। বাগানের পুরো সীমানাজুড়ে ছিল আম গাছের সারি ও মাঝখানে অবস্থিত কারুকার্য মণ্ডিত দ্বি-তল এ ভবনটি।রূপলাল হাউজঃ রূপলাল হাউজ উনবিংশ শতকে নির্মিত একটি ভবন। এটি পুরানো ঢাকা এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর পারে ফরাসগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত। ভবনটি নির্মান করেন হিন্দু ব্যবসায়ী ভ্রাতৃদ্বয় রুপলাল দাস ও রঘুনাথ দাস। । দ্বিতল এই ভবনের স্থাপত্য শৈলী অভিনব। ভবনটিতে ৫০টির অধিক কক্ষ রয়েছে, এবং কয়েকটি প্রশস্ত দরবার কক্ষ রয়েছে। সাম্প্রতিক কালে রূপলাল হাউজ মসলা ও সবজি ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যায়। তবে, বর্তমানে এটিকে অবৈধ দখলমুক্ত করে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রাখা রয়েছে নামে মাত্র।লালকুঠিঃ এটি নর্থব্রুক হল নামেও পরিচিত। বুড়িগঙ্গার পাড় ঘেঁষে ফরাশগঞ্জ মহল্লায় অবস্থিত। গোটা ইমারতটি লাল রঙে রঙিন বলে এর নাম হয়েছে লালকুঠি।৯০৪ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর ঢাকার নতুন রাজস্ব ও ডাক অফিস খোলার জন্য ওই দিনেই ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য খাজা মোহাম্মদ ইউসুফের উদ্যোগে নর্থব্রুক হলে একটি বড় সভা করা হয়। শহরের গণ্যমান্য মুসলমান ও ইউরোপিয়দের এতে আমন্ত্রন জানানো হয়। সভায় ব্রিটিশ সরকারকে নতুন প্রদেশ গঠন ও ঢাকায় রাজধানী করার জন্য ধন্যবাদ ও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এ ধরনের নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে এই নর্থ ব্রুক হলো। বায়তুল মুককাররাম মসজিদঃ বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ। স্থপতি টি. আব্দুল হুসেন থারিয়ানির নকশায় ও কাবা শরীফের আদলে এটি নির্মান করা হয়।তারা মসজিদঃ বিখ্যাত এই তারা মসজিদটি ঢাকার আর্মানিটোলায় অবস্থিত। মসজিটির সারা গায়ে রয়েছে শত শত ছোট বড় তারার কারুকাজ। সাদা সিমেন্টের উপর চিনামাটির তারকাকৃতি টুকরো বসিয়ে করা হয়েছে এই তারকাসজ্জা। আঠারশ শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম মসজিদটি নির্মান করেন।হাজী খাজা শাহবাজ মসজিদঃ ১৬৭৯ সালে রমনা রেসকোর্সের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে নির্মাণ করা হয়েছিল এই হাজী শাহবাজ মসজিদ। মাঝারি আকারের এই মসজিদটির তিন গম্বুজ রয়েছে। এখনো এটি টিপটপ অবস্থায় রয়েছে।সাতগম্বুজ মসজিদঃমোহাম্মদপুর বাসস্টপের ১কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে এই মসজিদটি অবস্থিত। এর তিনটি বড় গম্বুজ মূল সালাতকক্ষের উপর এবং বাকি ছোটো চারটি চার কোণে স্থাপিত। তাই অনেক আগে থেকেই এর নাম মানুষের মুখে মুখে সাতগম্বুজ মসজিদ হয়ে গেছে।খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদঃলালবাগ কেল্লা থেকে ৪০০ মিটার পশ্চিমে এই সুন্দর মসজিদের অবস্থান। এই তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির ভিত্তি প্রায় সতের ফুট উঁচু একটি প্ল্যাটফর্মের ওপর। প্ল্যাটফর্মের নীচে টানা করিডোর, পাশে ছোট ছোট প্রকোষ্ঠ. এখানে আলো ছায়ায় খেলা মনোমুগ্ধকর।নিচের এই অংশটি ছিল আবাসিক মাদ্রাসা। এখন শুধু মসজিদটিই ব্যবহার করা হয়। ১৭০৬ সালে কাজী এবাদুল্লাহর নির্দেশে খান মুহাম্মদ মৃধা এটি নির্মাণ করেন। তার নামানুসারেই মসজিদটির নামকরণ হয় খান মুহম্মদ মৃধা মসজিদ। এটি লালবাগের আতশ খানা রোডে অবস্থিত।ধানমণ্ড শাহী ঈদগাহঃধানমন্ডি আবাসিক এলাকার সাত মসজিদ রোডে এটির অবস্থান। চারপাশে উঁচু প্রাচীল দিয়ে ঘেরা এই ঈদগাহ। দেওয়ান আবুল কাসিম ১৬৪০ সালে এটি নির্মান করেন।মিরপুরের দরগাহঃঢাকায় বেশকিছু দরগাহ বা মাজার রয়েছে তাদের মধ্যে মিরপুরের দরগাহ অন্যতম। যতদুর জানা যায় হযরত শাহ আলী হলেন সেই চল্লিশজন প্রচারকের একজন, যারা বাগদাদ থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছিলেন ইসলাম প্রচারে। তিনি মিরপুরে আস্তানা গেড়েন আর এখানেই তাঁর মাজার শরীফ।হোসেনী দালানঃ হযরত ইমাম হোসেন (রা:) -এর কারবালার শোকাবহ ঘটনার স্মরণে নির্মিত অপরূপ স্মৃতিসৌধ হোসনী দালান। একজন শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত লোক সৈয়দ মীর মুরাদ তৈরি করেছিলেন ঢাকার হোসেনী দালান। সৈয়দ মীর মুরাদ ছিলেন শাহ্ সুজার নৌবাহিনীর প্রধান। এই দালান নির্মাণের পেছনে একটি গল্প চালু রয়েছে। সেটি হচ্ছে_ এক রাতে স্বপ্নে সৈয়দ মীর মুরাদ দেখতে পেলেন হযরত ইমাম হোসেন (রা.) কারবালার যুদ্ধের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করছেন এবং তাকে অনুরূপ একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে বলেন। অতঃপর মীর মুরাদ ১০৫২ হিজরি মোতাবেক ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে এই ইমামবাড়া নির্মাণ করেন। এখানে রয়েছে হোসনী দালান, ইমামবাড়া, পুকুর মাকবারা-এ নায়ের নাজিম স্থানে ৮ টি কবর, ইমাম হাসান (রা:) ও ইমাম হোসেন (রা:)-এর কবরের প্রতিকৃতি। ঢাকেশ্বরী মন্দিরঃ লালবাগ কেল্লা থেকে ৩০০ মিটার উত্তরপুবে এই সুন্দর মন্দিরের অবস্থান।ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন মন্দির ঢাকেশ্বরী। এর নির্মাণকাল ও নামকরণ নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট বিতর্ক। কিংবদন্তি অনুসারে একবার রাজা বিজয় সেনের রানি লাঙ্গলবন্দে স্নানে গিয়েছিলেন। স্নান শেষে ফেরার পথে তার একটি পুত্রসন্তান জন্মে ছিল, ইতিহাসে যিনি বল্লাল সেন নামে পরিচিত। বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণের পর নিজের জন্মস্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নির্মাণ করেছিলেন এই মন্দির।আরেকটি সূত্রে জানা যায়, বল্লাল সেন একবার স্বপ্নে দেখেছিলেন এই জায়গায় জঙ্গলে ঢাকা অবস্থায় পড়ে আছে দেবী। বল্লাল সেন এই দেবীকে উদ্ধার করে সেখানে স্থাপন করে মন্দির, যা পরিচিত হয়ে ওঠে ঢাকেশ্বরী নামে।ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে নিয়ে আরেকটি কিংবদন্তি হচ্ছে, দক্ষ যজ্ঞের সতী নিকৃষ্ট পতির নিন্দা সহ্য করতে না পেরে দেহ ত্যাগ করলে শোকে মুহ্যমান মহাদেব সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে তাণ্ডব নৃত্য শুরু করেন। এমন নৃত্যে সতীর অবমাননা হয় ভেবে বিষ্ণু তার চক্র দ্বারা সতীর দেহ ছিন্ন ভিন্ন করেছিলেন। ফলে সতীর দেহ একান্নটি খণ্ডে বিচ্ছিন্ন হয়ে যে যে স্থানে পড়েছিল সে স্থানগুলো এক একটি পীঠস্থানে পরিণত হয়। সতীদেহের উজ্জ্বল কিরিটের ডাক তথা উজ্জ্বল গহনার অংশবিশেষ এ স্থানে পতিত হলে ওই স্থানের নাম হয় ঢাকা এবং অধিষ্ঠাত্রী দেবী ঢাকেশ্বরী নামে পরিচিতি পায়।আর্মেনীয় গির্জাঃপুরান ঢাকার আরমানিটোলায় একসময় বিপুলসংখ্যক আর্মেনীয়র বসবাস ছিল। আর্মেনীয়দের বসবাসের কারণেই ওই এলাকার নামকরণ হয় আরমানিটোলা বা আর্মেনিয়ান স্ট্রিট। মূলত সম্রাট আকবরের অনুমতি সাপেক্ষে আর্মেনীয়রা ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, বসতি স্থাপন ও গির্জা নির্মাণ করে। ব্যবসার কারণে একসময় ঢাকায় আর্মেনীয়দের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তারা আরমানিটোলায় বসতি স্থাপন ও একটি ক্ষুদ্র গির্জা স্থপন করে প্রার্থনা করত এবং তাদের কারও মৃত্যু হলে তেজগাঁও রোমান ক্যাথলিক গির্জার পাশে মরদেহ সমাহিত করত। ১৭৮১ সালে একজন বিত্তবান আর্মেনীয় নিকোলাস পোগজ বেশ কয়েক বিঘা জমিতে ওই ক্ষুদ্র গির্জার স্থলে একটি বিশাল গির্জা নির্মাণ করেন। তিনি গির্জাটির নামকরণ করেন চার্চ অব দ্য রিজারেকশন।শহীদ মিনারঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ২১ ও ২২ তারিখে ভাষার দাবীতে শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার তৈরির কাজ শুরু করে। মিনারটি তৈরি হয় মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেলের (ব্যারাক) বার নম্বর শেডের পূর্ব প্রান্তে। কাজ শেষ হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে।মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলনে জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), ডিজাইন করেছিলেন বদরুল আলম। সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। তাদের সহযোগিতা করেন দুইজন রাজমস্ত্রী। মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারনের জন্য জমিয়ে রাখা ইঁট বালি এবং পুরান ঢাকার পিয়ারু সর্দারের গুদাম থেকে সিমেন্ট আনা হয়। ভোর হবার পর একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় মিনারটি। ঐ দিনই অর্থাৎ ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২২ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। এই দিন পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়।অবশেষে, বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়। এর নির্মান কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকারের মুখ্যমন্ত্রিত্বের আমলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বর্তমান স্থান নির্বাচন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। ১৯৫৬ সালের ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি তারিখে জনৈক মন্ত্রির হাতে ‘শহীদ মিনারের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা থাকলেও তাতে উপস্থিত জনতা প্রবল আপত্তি জানায় এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ রিক্সাচালক আওয়ালের ৬ বছরের মেয়ে বসিরণকে দিয়ে এ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সংগ্রামের প্রতীক এ শহীদ মিনার প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারী ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় আজও।তিন নেতার মাজারঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাছেই পূর্ব পাশে রয়েছে দোয়েল। আর দোয়েল চত্বরের একটু পশ্চিমে আমাদের জাতীয় তিন নেতার সমাধি। এই তিন নেতা হলেন শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং খাজা নাজিমউদ্দিন।বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধঃ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তিলগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের সহযোগীদের সহায়তায় দেশের যে সকল শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবি এবং অন্যান্যদের হত্যা করেছিল তাঁদের শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানঃ ১ নং মিরপুর এলাকায় গাবতলী মাজার সড়কের পশ্চিমে এর অবস্থান। শহীদদের স্মরণে লাল রং করা তিনটি থামের সমন্বয়ে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। এর চারদিকে রয়েছে পরিখা ও বাগান। বাগানের ভিতরে পায়ে চলা পথ ও বসার ব্যবস্থা রয়েছে।ঢাকা শহরের যাদুঘর সমূহঃকম বেশি ৪০টির মত যাদুঘর রয়েছে ঢাকা শহর জুড়ে। সবগুলিকে এখানে দেখাতে পারছিনা। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু তুলে ধরছি শুধু। আহসান মঞ্জিল আর লালবাগ কেল্লায় একটি করে দুটি যাদুঘরের কথা আগেই বলেছি। আরো যেগুলি উল্লেখ করতে চাই তা হচ্ছে-শাহবাগে অবস্থিত “বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর”।ঢাকার জিরোপয়েন্টের পাশে জিপিও ভবনে রয়েছে “পোস্টাল জাদুঘর”।“জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর” টি দেখতে পাবেন আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকাতে।৫নং সেগুন বাগিচায় রয়েছে “মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর”।ধানমন্ডি আবাসিকের ১০নং সড়কের ৩২ নং বাড়িতে রয়েছে “বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর”।রাজার বাগের পুলিশ লাইনে আছে “পুলিশ জাদুঘর”।মিরপুর চিড়িয়া খানায় রয়েছে “প্রাণী জাদুঘর”।তাছাড়া আরো আছে- “সেনানিবাস জাদুঘর”, “ঢাকা নগর জাদুঘর”, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে রয়েছে বিভাগিয় জাদুঘর, “নজরুল জাদুঘর”, “এ্যানাটমি জাদুঘর”, “বিমান বাহিনী জাদুঘর”, “শিশু জাদুঘর” “সামরিক জাদুঘর” ইত্যাদি। বলধা গার্ডেনঃ ওয়ারীতে অবস্থিত এটি একটি উদ্ভিদ উদ্যান। বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী ৩.৩৮ একর জমির ওপর ১৯০৯ সালে উদ্যানটি নির্মাণের কাজ আরম্ভ করেন। যা শেষ হতে সময় লেগেছিল প্রায় ৮ বছর। বিরল প্রজাতির ৮০০ গাছসহ বাগানটিতে প্রায় ১৮ হাজার গাছ রয়েছে। বর্তমানে এখানে ৬৭২ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। বাগানটিতে এমনও অনেক প্রজাতির গাছ রয়েছে, যা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নেই।সপ্তাহের প্রতিদিনই এটি সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং ২টা থেকে ৫টা খোলা থাকে। বাহাদুর শাহ্ পার্কঃ পুরানো ঢাকার সদরঘাটের সন্নিকটে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ্ পার্ক। এর পশ্চিমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং উত্তর পশ্চিমে জেলা আদালত অবস্থিত। পূর্বে এর নাম ছিল ভিক্টোরিয়া পার্ক।বোটানিক্যাল গার্ডেনঃ মিরপুরের চিরিয়া খানা আর এই বোটানিক্যাল গার্ডেন পাষাপাশি অবস্থিতো। বিশাল যায়গা নিয়ে অবস্থিত এই গার্ডেনে ৮২.৯ হেক্টর অংশে আছে শুধু গাছপালা। আরো আছে পুকুর খাল ও সরু রাস্তা। সরু রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে একে একে দেখা পাওয়া যাবে গোলাপ বাগান, রাস্তার পাশে আকাশমনি, শাপলাপুকুর, বাঁশঝাড়, পাদ্মপুকুর, ইউক্যালিপটাসের বাগান, গ্রিনহাউজ, ক্যাকটাসঘর ও গোলাপ বাগান। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন খোলা থাকে।রমনা পার্কঃশিশু পার্কের উল্টো পাশেই এই রমনা পার্ক অবস্থিতো। এটি প্রতি দিন খোলা থাকে, কোনো প্রবেশ মূল্য নেই। এর ভিতরে আছে চমৎকার খাল, সরু পায়েচলার রাস্তা, অসংখ্য গাছ আর সবুজ ঘাসের লন। এর ভেতরে আছে চাইনিজ রেস্তরাও।ধানমন্ডি লেকঃ এই লেকটি সারা ধানমন্ডি এলাকা ঘুরিয়ে- পেঁচিয়ে প্রায় ১০ কি.মি পর্যন্ত চরে গেছে। গড়পর্তা ৫০মিটার চওড়া এই লেকটির গভিরতা ৮ থেকে ৯ মিটার পর্যন্ত। এর বিভিন্ন অংশের উপরে রয়েছে সেতু পারাপারের জন্য, রয়েছে পথচারি বসে বিশ্রামের জন্য বসার ব্যবস্থাও। ৮নং সেতুর কাছে রয়েছে একটি ডিঙ্গি নামক ক্যাফে।শিশুপার্কঃ রমনা পার্কের উল্টো পাশে এর অবস্থান। কম-বেশী ১৪টি রাইড এখানে রয়েছে বাচ্চাদের জন্য। এখানে বুধবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিনামূল্যে পথশিশুদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়। রবিবারে শিশুপার্কটি বন্ধ থাকরেও সপ্তাহের বাকি দিনগুলি বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য খোলা থাকে।শ্যামলী শিশুমেলাঃ ছোটো এই শিশুপার্কটি শ্যামলী থেকে আগারগাঁওগামী রাস্তার মোরে অসস্থিত। এটি প্রতি দিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য খোলা থাকে।চিড়িয়াখানাঃ মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পামেই চিড়িয়াখানাটি অবস্থিতো। বিশাল এই চিড়িয়া খানার বিস্তৃতি ৯৩ হেক্টর। বিভিন্ন প্রজাতীর প্রচুর প্রাণী এখানে দেখতে মিলবে বিভিন্ন খাঁচায়। শীতকালে অক্টোবর থেকে মাচ পর্যন্ত সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকলেও, গ্রীষ্মকালে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকলে।ঢাকা শহরের নবস্থাপত্য সমূহঃ জাতীয় সংসদ ভবনআমেরিকান স্থপতি লুইকান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেন। তার নকশা অনুয়ায়ী ঢাকার শের-এ-বাংলা নগরে ২০৮ একর জমির উপর নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবন এ উপমহাদেশের অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন।তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তানের (বর্তমান পাকিস্তান) আইনসভার জন্য জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৬১ সালে। ঢাকার আভ্যন্তরীণ কিছু তথ্যের জন্য প্রজন্র ডট কমের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি

Post Author: shourov323