How to apply for a passport in Bangladesh | Shourov Ahmed

How to apply for a passport in Bangladesh

প্রথমে ব্যাংকে টাকা জমাদিয়ে জমা স্লিপ গ্রহন করুন, স্লিপে আপনার নামটি সেভাবেই লিখুন যেভাবে পাসপোর্টে দেখতে চান । এখন (www.passport.gov.bd/Application-1.a…) এই লিংকে যান এবং সকল তথ্য সঠিক ভাবে পূরন করুন। পূরন করে সেভ ও নেক্সট অপশন সিলেক্ট করে পরের পাতায় গিয়ে পরের পাতাটিও পূরন করেন। পেমেন্ট অপশনে আপনি যে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে তার বিবরন নির্ভুল ভাবে লিখবেন, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম, টাকার পরিমান ও রশিদ নম্বর। পূরন করা শেষ হলে আবার একটু মিলিয়ে দেখুন সকল তথ্য সঠিক আছে কিনা বা কোন ভুল আছে কিনা, থেকে থাকলে সংশোধন করে নিন। তারপর ফাইলটি ডাইনলোড করে প্রিন্ট আইট বের করুন। ব্যাস আপনার ডাটা এন্ট্রি হয়ে গেলো, সাধারনত এই তথ্য সার্ভারে ১৫ দিন থাকে তাই ১৫ দিনের মধ্যেই আপনাকে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে না হলে আবার নতুন করে ফরম ফিলাপ করতে হবে। দুই সেট ফরমের (মেয়াদ উত্তির্ণ হলে ১ কপি (নিচে বিস্তারিত রয়েছে) ) প্রিন্ট বের করে এখন দুটোতেই যথা স্থানে আঠা দিয়ে ছবি সংযুক্ত করুন, নিজ স্বাক্ষর দিন এবং সাথে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি / জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি, আপনার পেশার প্রমানপত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করুন। এখন আপনাকে ফাইল দুটো সথ্যায়ন করাতে হবে। তো কাকে দিয়ে করাবেন সত্যায়ন কোন পরিচিত বড়সর ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা প্রথম শ্রেনীর সরকারী কর্মকর্তা অথবা নোটারী পাবলিক এর এডভোকেট দ্বারা সত্যায়ন করতে পারবেন। ব্যাস হয়ে গেলো এখন আপনার পাসপোর্ট ফাইল তৈরী, এখন জমা দেওয়ার পালা। একদিন চলে যান নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে। আপনি যেহেতু অনলাইনে আগে থেকেই পূরন করেছেন তাই আপনাকে ডাটা এন্ট্রি করতে হবে না। পাসপোর্ট অফিসে কষ্ট অর্ধেক কমে গেলো। আপনি শুধু ছবি তোলা, বায়োমেট্রিক করা ও স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য লাইনে দাড়াবেন এবং ফাইল জমা দিবেন। মনে রাখবেন সাদা শার্ট বা সাদা কাপড় পরে যাবেন না, সাদা কাপড়ে ছবি তুলবে না। সাদা ব্যাতিত অন্য যেকোন রঙ্গিন কাপড় পড়ে ছবি তুলতে পারবেন। কাজ হয়ে গেলে আপনাকে একটি স্লিপ দিবে সেটাতে পাসপোর্ট ডেলিভারী তারিখ উল্লেখ্য থাকবে তবে সেটা মূখ্য নয়; পাসপোর্টে দেওয়া আপনার নাম্বারে কনফারমেশন মেসেজ আসার পরেই পাসপোর্ট আনতে যেতে পারবেন।ম্যানুয়ালি পূরন করতে চাইলে হার্ড কপি এই লিন্ক থেকে নামিয়ে নিন:http://passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdfবি:দ্র: অবশ্যই ফর্ম য্খন প্রিন্ট করবেন, তখন কাগজের উভয় পাশ প্রিন্ট করাবেন। এক পাশ প্রিন্টে অনেক সময় ঝামেলা করে> নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে <একটি ফরম যাদের জন্য প্রযোজ্য:

  • সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/ কর্মচারী ও তাদের নির্ভরশীল স্বামী/স্ত্রী, এবং সরকারী চাকুরীজীবির (পনের) বৎসরের কম বয়সী সন্তান।
  • সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/ কর্মচারী, যাদের প্রাসঙ্গিক জিও (GO) আছে।
  • অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবি ও তাদের নির্ভরশীল স্বামী/স্ত্রী। এক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের সনদ দাখিল করতে হবে।
  • এছাড়া রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে শুধু মাত্র রি-ইস্যু ফরম (একটি) ব্যাবহার করতে হবে।

দুইটি ফরম যাদের জন্য প্রযোজ্য

  • নতুন পাসপোর্টের জন্য ।
  • ১২ বছর উত্তীর্ণ হাতে লেখা পাসপোর্টের ক্ষেত্রে।
  • পূর্ববর্তী পাসপোর্টের স্হায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হলে।

>> যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন: সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, কাউন্সিলরগণ, গেজেটেডড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্বিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধা সরকারী/ স্বায়ত্বশাসিত / রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।

>>> রি-ইস্যু <<<

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এম.আর.পি.) এর রি-ইস্যু, তথ্য পরিবর্তন ও সংসোধন করার জন্য শুধুমাত্র রি-ইস্যু ফরমটি ব্যাবহার করতে হবে। নিচে ডাউনলোড লিকং দেয়া আছে। যাদের আগেও এম.আর.পি. আছে তারা (মেয়াদ থাকা অবস্থায় বা সদ্য মেয়াদ শেষ অবস্থায় পুনরায় আবেদনের জন্য / কোন ধরনের সংসোধনোর জন্য / তথ্য পরবর্তনের জন্য) পাসপোর্ট নতুন ভাবে করতে গেলে শুধুমাত্র এই ফরমটি পূরন করবেন। তাদের জন্য এম.আর.পি. এর সম্পূর্ন ফরমটি পূরন করার কোন প্রয়োজন নেই। আর যাদের পাসপোর্ট মেয়াদ উত্তির্ণ হয়ে গেছে তাদেরকে এম.আর.পি. এর ফরমটিও এক কপি পূরন করতে হবে। মেয়াদ উত্তির্ণ হলে প্রতিবছরের জন্য ৩৪৫ টাকা ( ৩০০ + ১৫% ভ্যাট) অতিরিক্ত জমা দিতে হবে। সেটা পাসপোর্ট এর ফি জমা দেয়ার সময় একসাথে দিবেন।

  • মেয়াদ উত্তির্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে কি কি লাগবে : যাদের পাসপোর্টের এর মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাদেরকে এম.আর.পি. এর ফরমটিও এক কপি পূরন করতে হবে। তবে রি ইস্যুর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় না। সাথে নিম্নোক্ত রি-ইস্যু ফর্মের সাথে পুরাতন পাসেপোর্টর ফটোকপি জমা দিতে হবে । এবং যারা কোন তথ্য পরিবর্তন করতে চান তারা সেই পরিবর্তিত তথ্যের প্রমানপত্র জমা দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও সাথে সংযুক্ত করে দিতে পারেন (যদিও এটা লাগে না, আগের এম.আর.পি. তে জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর থাকলে)
  • রি-ইস্যু করতে কি কি লাগবে : যারা শুধুমাত্র রি-ইস্যু করতে চান তারা এই ফরমের সাথে শুধু পুরাতন পাসেপোর্টর ফটোকপি জমা দিলেই হবে। এবং যারা কোন তথ্য পরিবর্তন করতে চান তারা সেই পরিবর্তিত তথ্যের প্রমানপত্র জমা দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও সাথে সংযুক্ত করে দিতে পারেন (যদিও এটা লাগে না, আগের এম.আর.পি. তে জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর থাকলে)

বি:দ্র: যাদের স্থান পরিবর্তন করতে হবে, তাদেরকে নতুন পাসপোর্ট করার ন্যায় এমআরপি ফর্মের দুই কপি পূরন করতে হবে। কারন পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। আর বাদ বাকি গুলো একই রকম থাকবে।

  • ডাউনলোড লিংক : রি-ইস্যু, তথ্য পরিবর্তন ও সংসোধন ফরম ডাউনলোড করার লিংক :
http://passport.gov.bd/Reports/MRP_Information_Alteration_Correction.pdfঅথবা:www.facebook.com/groups/travelers.dhaka/1750815125150702

>> খরচ <<

পাসপোর্ট করতে সরকারী ফি : নতুন পাসপোর্ট / নবায়ন / তথ্য পরিবর্তন সকল ক্ষেত্রেই ফি একই সমান

  • সাধারন (৩০০০+১৫% ভ্যাট) = ৩৪৫০ টাকা,
  • জরুরী (৬০০০+১৫% ভ্যাট) = ৬৯০০ টাকা
  • মেয়াদ উত্তির্ণ হলে প্রতিবছরের জন্য ৩৪৫ টাকা ( ৩০০ + ১৫% ভ্যাট) অতিরিক্ত জমা দিতে হবে। সেটা পাসপোর্ট এর ফি জমা দেয়ার সময় একসাথে দিবেন।

যে সকল ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারবেন : ১) সোনালী ব্যাংক ২) ট্রাস্ট ব্যাংক ৩) ব্যাংক এশিয়া ৪) প্রিমিয়ার ব্যাংক ৫) ঢাকা ব্যাংক ৬) ওয়ান ব্যাংক। >>> বাংলাদেশ পাসপোর্ট এর ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে : http://www.dip.gov.bd/ >>> পাসপোর্ট সংক্রান্ত যেকোন জিজ্ঞাসা থাকলে : ০২-৮১২৩৭৮৮ >>> ইমেইল – inquiry@passport.gov.bd

>>> পাসপোর্ট অফিস <<<

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসমূহ ঠিকানা ও যোগাযোগ :http://www.dip.gov.bd/site/page/608… * বিঃ দ্রঃ আন অফিসিয়াল কিছু খরচ আছে, যেটা পুলিশ ভেরিফিকেশন এর নামে আপনার কাছ থেকে খসার সম্ভাবনা খুব বেশি। স্থায়ী ঠিকানায় একবার আর বর্তমান ঠিকানায় একবার পুলিশ যাওয়ার কথা। ওপেন সিক্রেট হচ্ছে আমার কাছ থেকে দুই যায়গায় ৩০০+৩০০ টাকা গিয়েছে। অনেকের ৫০০+৫০০ টাকা যায়। আপনার টাও পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ভর করবে। আর যদি এই অনিচ্ছাকৃত ঘুষ না দিয়ে বেঁচে যেতে পারেন, স্বাদুবাদ থাকবে।এই ডক তৈরি করতে সাহায্য করেছেন ট্রাভেলার্স অফ ঢাকার এ.এইচ.সুজন ভাই। উনার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা থাকলো।

Post Author: shourov323